সিঙ্গল মাদার সংক্রান্ত সুপ্রীম কোর্টের সমগ্র বিতর্কিত রায়ের এই অংশটি বিশেষ দৃষ্টিআকর্ষণীয়

Pita sontan

প্রিয় বন্ধুরা অনুগ্রহ করে মন দিয়ে পড়বেনঃ

সিঙ্গল মাদার সংক্রান্ত সুপ্রীম কোর্টের সমগ্র বিতর্কিত রায়ের এই অংশটি বিশেষ দৃষ্টিআকর্ষণীয় :-

“This is a brooding reality as the father is already married and any publicity as to a declaration of his fathering a child out of wedlock would have pernicious repercussions to his present family. There would be severe social complications for her and her child. As per Section 7 of the Act, the interest of the minor is the only relevant factor for appointing of a guardian, and the rights of the mother and father are subservient thereto. In this scenario, the interest of the child would be best served by immediately appointing the Appellant as the guardian.”

যতদূর শিশুর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রেক্ষিত বর্তমান তাতে কতকগুলো প্রশ্ন উঠে আসছে মনে :-

১) আজকের উন্নত প্রযুক্তির দিনে DNA test এর মতো প্রায় নি:শংসয় ফরেনসিক পরীক্ষা থাকতেও আদালত সে রাস্তায় না হেঁটে শিশুটির পিতৃপরিচয় বিচারবিভাগীয় বিশেষ গুপ্ত মোড়কে (enveloped & sealed) আচ্ছাদন করলেন কেন?

২) গর্ভাধানের পর “ABC” নাম্নী তথাকথিত ঐ “সিঙ্গল মাদার” শিশুটির ঔরসদাতা পিতাকে সে ব্যাপারে জানিয়ে ছিলেন কিনা, বা জানালে তার কি প্রতিক্রিয়া পেয়েছিলেন সে ব্যাপারে কোনো বিচারবিভাগীয় অনুসন্ধানের ছাপ রায়ের প্রতিলিপিতে নেই কেন?

৩) শিশুর নিজের পিতৃ-মাতৃ পরিচয় জানার যে স্বাভাবিক রাষ্ট্রসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত মানবাধিকার (UNICEF webpage অথবা ঐ রায়ের প্রতিলিপি দ্রষ্টব্য) তাকে লঙ্ঘন করে কিভাবে “Welfare of the child” বলে স্বীকার করে বিচারবিভাগীয় সীলমোহর দেওয়া যায়?

৪) বিচারবিভাগ কি করে নিজ বংশধর কে ট্রেস করার দায়িত্ব পুরুষের উপর দিতে পারেন যদি সে পুরুষ গর্ভাধানলব্ধ নারীর দ্বারা ট্রেসিং পদ্ধতিতে মৌখিক স্বীকৃতির সহযোগীতা না পায়?

৫) ভারতের ঐতিহ্যের আঙ্গিনায় “ভরত ও দুষ্মন্তের মিলন”-এর মতো সঙ্গম পরবর্তী বিচ্ছেদ ও তৎপরবর্তী পুণর্মিলনের ইতিহাস যেখানে বিদ্যমান, সেখানে স্বর্ণ অঙ্গুরীয়কে প্রকাশ্যে না এনে তাকে যারপরনাই বিচারবিভাগীয় প্রচেষ্টায় গোপন করে কোন্ মহান সামাজিক রাস্তা প্রশস্ত হলো?

৬) ভারতীয় সমাজে প্রতি পদক্ষেপে শিশুটি যখন, “তোমার বাবার নাম কি?” প্রশ্নটির সম্মুখীন হবে এবং বিশেষত: সহপাঠী/সহপাঠিনীদের নিজ নিজ পিতৃ-মাতৃপরিচয় প্রদান করতে দেখবে, তখন সুপ্রীম কোর্টের এই অতিশয় মহান রায় তাকে নিজের সামাজিক অস্বাভাবিকতার পরিমন্ডল থেকে রক্ষা করবে কি? কি বলবে শিশুটি? সে কি বলবে “আমার বাবার নাম মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বলে বিচারবিভাগীয় গুপ্ত কুঠুরীতে লুকানো আছে?” এ ব্যাপারে কি আশা করেন মহামান্য আদালত?

৭) যদি এই সময়ে শিশুটির পিতৃপরিচয় জানানো থেকে তাকে বিরত রাখা হয়, তবে ভবিষ্যতে সে তা কি করে ও কখন জানবে এবং উপরন্তু তার এটা জানার মানবাধিকার সম্পর্কে তাকে কে, কবে ও কিভাবে ওয়াকিবহাল করবে – সে বিষয়ে মহান বিচারবিভাগীয় রায়ের মুখে কুলুপ কেন?? প্রশ্নগুলি বিপথগামী নারীবাদীদের উত্তেজিত করবে সন্দেহ নেই, কিন্তু অপরিহার্যও বটে। রায়ের প্রতিলিপিটি এখানে দিলাম http://1drv.ms/1KMQKsp

আপনার মূল্যবান মতামত কাম্য !

[ বিঃ দ্র : ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে
সামাজিক অবক্ষয় দমনে বাঙালি​ পেইজ এর
পোস্ট এ নিয়মিত লাইক, কমেন্ট
না করলে ধীরে ধীরে পোস্ট আর
দেখতে পাবেন
না।। তাই পোস্ট ভাল
লাগলে লাইক দিয়ে পেজে একটিভ থাকুন ]

Leave a Comment

*